ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে ‘ধীরেসুস্থে’ : ট্রাম্প
ওয়েভ রিপোর্ট
১০ আগস্ট, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি তেহরান কঠোর কিছু দাবি জানালেও ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়া থেকে সরে আসছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, রোববার (৯ অগাস্ট) এক সংক্ষিপ্ত ফোনালাপে ট্রাম্প তাঁদেরকে বলেছেন, ‘আমরা বিষয়টিকে ধীরেসুস্থে এগিয়ে নিচ্ছি।’ খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ট্রাম্প মাত্র এক সপ্তাহ আগেই ইরানে বড় ধরণের হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন। পরে অবশ্য তিনি সেটি থেকে সরে আসেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইলের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের অবসানে তিনি একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছেন।
অ্যাক্সিওস জানায়, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের চুক্তি করতে দেরি করায় রোববার ট্রাম্প হতাশা প্রকাশ করেননি। দুই দেশ জুনে যে-সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল, তার শর্ত অনুযায়ী ইরান দাবি করেছে – যুক্তরাষ্ট্রকে আগে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ প্রত্যাহার এবং তেল-নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের হরমুজ প্রণালী অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে অর্থনীতিতেও অস্থিরতা বেড়েছে। নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়ছে।
ট্রাম্পকে উদ্ধৃত করে অ্যাক্সিওস বলেছে, “আমরা তাঁদের সঙ্গে শুধু আংশিকভাবে আলোচনা করছি। আমরা শুধু ইরানের ব্যাপক মূল্যস্ফীতি এবং তাঁদের হাতে অর্থ না-থাকার বিষয়টি দেখছি।”
ট্রাম্প আরও বলেছেন, তেলের দাম কমছে। ফলে যুদ্ধের কারণে মার্কিন ভোক্তাদের ওপর চাপও কমছে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “সব ঠিক হয়ে যাবে; সব সময়ই ঠিক হয়ে যায়। এটা অনেকটা দাবা খেলার মতো।”