চাকরি পেলেন জুলাইয়ে শহীদ, আহত ১০ পরিবারের সদস্য


ওয়েভ রিপোর্ট

ওয়েভ রিপোর্ট

০৮ আগস্ট, ২০২৬

চাকরি পেলেন জুলাইয়ে শহীদ, আহত ১০ পরিবারের সদস্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের ১০ জন সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। তিনি শনিবার (৮ অগাস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির এই নিয়োগপত্র প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ-তথ্য জানান।

 

চাকুরির নিয়োগপত্র প্রাপ্তরা হলেন – শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী এবং গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তার।

 

উপ-প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের চাকুরির নিয়োগপত্র দিয়ে তাঁদের সাথে কথা বলেন এবং পরিবারের খোঁজ-খবর নেন।

 

প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, এই আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল – একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে দেশের মানুষ আরও ভালোভাবে বসবাস করতে পারবে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁদের আমরা হারিয়েছি, যাঁরা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি হলো – বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’

 

রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে এগিয়ে নিতে হবে। আমরা কি পেলাম – সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়; বরং আমরা দেশকে কি দিতে পারলাম – সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমরা যে-বাংলাদেশ চাই – সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

 

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।

 

অনুষ্ঠানে সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ও আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্নাও উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন।

 

উপ-প্রেস সচিব আরও জানান, শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা চাকরি নিয়োগপত্র পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।

Share this article

https://mail.thewave24.com/view/1517/news

© 2026 TheWave24. All rights reserved.